Tuesday, September 18, 2012

CULTURAL ETHNIC CLEANSING WIPED OUT THE BHUMIPUTRAS(SONS OF SOIL) OF WEST BENGAL FROM MAINSTREAM POLITICS & HOWRAH’S GLORIOUS DAYS


INTRODUCTION:

Every native culture comes to an end when an exotic mindset enters & penetrate the local people. West Bengal is a place where BHUMIPUTRAS faced the same problem in last 70-80 years , it was initiated from the late 1930”s still now this trend is going on. Today I will discuss about the glorious historical achievements what our ancestors had done in the soil of west Bengal & specially in Howrah district. History has always proved that immigration, multiculturalism is always a big scourge to the indigenes, west Bengal has the same problem from a long time as it existed  in the extreme eastern part of India, which is closer to many countries border & also the gateway of india via the eastern region so centuries after centuries foreigner target this area to enter.
Once upon a time in the ancient medieval period a glorious congenital Hindu kingdom dispersed  across what are now Howrah and Hooghly districts in the Indian state of West Bengal. Which was known as the Bhurshut Kingdom, Bhurshut kingdom grew up in the southern parts of Rarh region.
A SHORT DESCRIPTION OF BHURSHUT KINGDOM:

It had a high concentration of Bhurisresthis, a community of traders and as such came to be called Bhurshut. However, it was possibly the main centre of Rarhi Brahmins. It could have been ruled by a Sur king during the period when the Pala Empire was a rising force. Different feudatory kings may have ruled over the kingdom. At a later time there is mention in folklore of a Dhibar dynasty, possibly in the 14th–15th century. Subsequently the area came to be ruled by a Brahmin family.
Shanibhangar, the last Dhibar king of Burshut, was defeated by Chaturanan Neogi of Garh Bhawanipur. Chaturanan’s grandson (by his daughter) Krishna Roy of the Mukhti royal family of Phulia took over the reins and established the Brahmin dynasty of Bhurshut. Krishna Roy ruled in 1583–84, at a time when Akbar was the Mughal emperor. Krishna Roy’s great-grandson Pratap Narayan Roy (ruled around 1652–1684) was the greatest of Bhurshut kings. There is mention about the exemplary bravery of a lady of the family, popularly referred to as Roy Baghini, but it is difficult to identify the person. She is probably named Bhabashankari.
In Ain-i-Akbari it is mentioned that amongst the thirty-one mahals under Sirkar Suleimanabad, the highest revenue was earned by Basandhari pargana, followed by Bhurshut. No other pargana under Sirkar Satgaon or Sirkar Mandaran earned so much revenue. Bhurshut was conquered by Kirtichand Rai of Bardhaman in the 18th century.
Bhushut kingdom had three forts at Garh Bhabanipur, Pandua (Pedo or Pedo Basantapur) and Rajbalhat. There is hardly any trace of these forts, There still is a place called Dihi Bhurshut in Howrah district, across the Damodar  from Rajbalhat.
Bharatchandra Ray, ‘Raygunakar’, 18th-century Bengali poet, hailed from Pedo Bhurshut and possibly belonged to the ruling family of Bhurshut kingdom.

CONCLUSION: 

Once the bhumiputras of west Bengal had ruled the whole howrah & Hooghly district in a very progressive way that was our glorious past.Now the situation has changed north howrah is dying  & central howrah was captured by the non bengalees ages ago & also Communists had wiped out the nationalistic history of howrah & Hooghly in a shrude way.Shall we accept this as our fate or shall we allow exotic people to arrogate our territory in a silence way ? . A silence cultural ethnic cleansing is occurring all over west Bengal whether you believe it or not we had lost our pride & old status which has to revived at any cost.The sons of soil of west Bengal is now  heading towards annihilation.Only a culture can coexist when multiculturalism will respect the natives as the progenitor of that land, but alas the biharis,bangals, non bengalees they always force us to live our life in their way they don’t integrate with mainstreme BHUMIPUTRA CULTURE, The way Europe is now thinking their problem we need to comply that path otherwise our situation will be like the Armenians , the way they lost their homeland & culture we are gonna face that in same way.This situation has sprang up because of the sloppiness of the First Generation Bhumiputras towards protecting primeval interest  from the period of 1930s & and the post Partion of British India ERA in west Bengal.The way the marathis agnized the importance of protecting endemic interests we shall have to follow their way, the BHUMIPUTRAS of West Bengal  should not imitate the extraneous culture from strangers otherwise it will wipe out  native Bengali hindu culture in a draconian way.We shall have to raise our all issues at national & international levels to appeal the 290  million sons of the soil of west Bengal for defending  the indigenous rights of the BHUMIPUTRAS OF WEST BENGAL.We admit the existence of outlanders at the leaps and bounds of west Bengal almost everywhere of this Indian state.Seculerists,Communists,Muslims,Christians and Non Bengalees will claim this is an Indian territory everyone should live here with equal rights.The fact is if we look at the natives of every culture, we will intromit one truth that is the importance of  indigens, but alas what happened with west Bengal Bhumiputras that should not happen with any native population this is my utmost request to any indigens of any country or also to The Sons of Soil Of West Bengal Please Wake Up Stop Sleeping Fight For The Existence Fight For The Rights Until You Revive It.

Sunday, September 9, 2012

PROJECT CHANDRADIP BY SUJAY KUNDU


প্রজেক্ট  চন্দ্রদ্বীপ

মূল বক্তব্য-   সম্পূর্ণ   ঐতিহাসিক  দৃষ্টিকোণ  থেকে  এই  মিশন । বহু প্রমান ও সাক্ষীর ও  বহু  মানুষের  অক্লান্ত  অনুরোধে  এই  মিশন শুরু  করার  পরিকল্পনা  করা  হয়েছে ।
সম্প্রতি এই অঞ্চল  ভ্রমনকালে প্রচুর  ঐতিহাসিক  নিদর্শন ও  সাক্ষ্য- প্রমান খুজে পাই। দেশে  ফিরে এই মহান ও সুপ্রাচিন ইতিহাস  কোন ইতিহাস  বই  বা উইকি এর  পাতায়  না  খুজে  পেয়ে  ভীষণ  হতাশ  হই ।
হয়তো ভবিষ্যতের  আরও  কিছু  বছর  পরে  এই  ইতিহাস  পুরোপুরি  ধুয়ে-মুছে যাবে ।  সমাজ , বাকি বিশ্ব , বাংলাদেশের - বরিশালের মানুষ ও  বিশেষ  করে  বাঙালি  হিন্দু   নিজের  ইতিহাসের এই গৌরবান্বিত অধ্যায় চিরকালের  জন্যে  হারিয়ে ফেলবেন,কারন ৭০ %  ইতিহাস বর্তমানেই  মুছে গেছে  বলে  অনুমান সেই  অঞ্ছলের কিছু  বেশ  শিক্ষিত হিন্দু ও মুসলমান মানুষের।  তাই  এই  অনুসন্ধান মিশনে আরও  বিলম্ব  অভিপ্রেত  নয়

প্রেক্ষাপট – অতি প্রাচীন কাল থেকেই ভারতবর্ষ    বঙ্গভুমি ও  হিন্দু  রাজগণ শাসিত  হয়েছে । খ্রিস্টপূর্ব  ৩০০০ থেকে  প্রায়  ১২০৩ -১৩০০ শতাব্দী অব্দি মহান  বীর  হিন্দু  রাজগণ  নিরাপদে   চন্দ্রদ্বীপ  শাসন  করেছিলেন। এমনকি ঠিকঠাক অনুসন্ধান করলে এই  অঞ্চলে ৫০০০ বছরের পূর্বেও  খুব বড়  হিন্দু সভ্যতার ইতিহাস খুজে পাওয়া যাবে , এই  ধারনা পোষণ  করেন  বহু  মানুষ ও  ঐতিহাসিক ।   এমনকি  বখতিয়ার খিলজির  বঙ্গভুমি অধিকারের সময় থেকে মুঘল  সম্রাট জাহাঙ্গিরের শাসনকাল  অব্দি চন্দ্রদ্বীপ  হিন্দু রাজাদের দ্বারা  শাসিত  হয়েছিল ।  এই  দ্বীপের   বহু অংশ  আজও  সারা পৃথিবীর কাছে  অজানা ও রহস্যময় । বরিশালের বেশিরভাগ  অঞ্চল আজও  মধ্য  আমেরিকা ও আফ্রিকার  অরণ্য ও জলাভূমির থেকেও  অতি- দুর্গম । কিন্তু  বাঙালি  জাতি সেই  দুর্গমতা  কাটিয়েও  এই  সমস্ত  অঞ্চলে  বসতি গড়ে তুলেছিল , যার খোজ আজও  পাওয়া যায়  আজকের  বরিশালের ও তার  আশেপাশে  দ্বীপ  আজও  আছে  যেখানে  প্রাচীন  আদিবাসীগণ  বছরে- ২ বছরে  একবার মাত্র  শহরে  আসেন  নৌকা  সহযোগে  এবং  প্রয়োজনীয়  দ্রব্য  সংগ্রহ  করে আবার  দ্বীপে  ফেরত চলে  যান  ১-২ বছরের জন্যে ।  এই  মিশন  সেই আদি  ও অজানা  দ্বীপ ও দ্বীপবাসী ও  সমগ্র  চন্দ্রদ্বীপের  মহান   ইতিহাস কে  বাকি  দুনিয়া  ও বিশেষ  করে বাঙালি  বিশ্বের  কাছে  তুলে ধরবে। যদিও  বাংলাদেশের ও ভারতীয়  বর্তমান প্রেক্ষাপটে কাজটি খুব  কঠিন , সেই  জন্যে  ভারত ও বাংলাদেশ সরকার , চন্দ্রদ্বীপের  মানুষ ও বাঙালি ও ইতিহাস উসাহী  মানুষের  সাহায্য প্রয়োজনীয়  হতে পারে ।


লক্ষ্য – চন্দ্রদ্বীপের বাঙালীর  সুপ্রাচীন ও  সাম্প্রতিক  ইতিহাস    কিছু   বহু চর্চিত  রহস্য  অনুসন্ধান  করাই   এই  মিশনের  লক্ষ্য ।  মিশনের  কোন  আর্থিক বা রাজনিতিক  কোন  লক্ষ্য নেই ।  বাঙালি জাতির অনাবিষ্কৃত  ও ১০০ %  সত্য    তথ্য নির্ভর  ইতিহাস  অনুসন্ধান  এই  মিশনের  অভিপ্রেত  লক্ষ্য ।   সুপ্রাচীন  কিছু  রহস্যময়  ঘটনা   ছাড়াও   মধ্যযুগের ও বিভিন্ন  সময়ের  ইতিহাস নিয়ে  অনুসন্ধান    তার  সাথে  প্রমান এবং   ঐতিহাসিক  নিদর্শন  অনুমতি সাপেক্ষে  সংগ্রহ  করা হবে  । এর সাথে সাথে বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামে বরিশালের হিন্দু ( বিশেষ করে  হিন্দু নমশূদ্র জাতি ) জাতির অত্যন্ত  কম আলোকপ্রাপ্ত  সংগ্রামের ও বলিদানের ইতিহাসের ওপর আলোকপাত  করা  হবে । যা আগে প্রায় কোনদিনই কেউ করেনি ।

অগ্রাধিকার – প্রথম পর্যায়ে নিজ চোখে  দেখা ও এলাকার বিভিন্ন ধর্মমতের শিক্ষিত মানুষের  দ্বারা  বর্ণিত ইতিহাস ও তার সহজলভ্য  সাক্ষ্য –প্রমান-তথ্য  গুলোকেই   অগ্রাধিকার দেওয়া হবে ।
এছারাও পাকিস্তানের বিপক্ষে  ভাষা- মুক্তিযুদ্ধে এই  এলাকার নিম্ন বর্ণের  হিন্দু অবদান ও বলিদান সম্পর্কিত ইতিহাসকেও  অগ্রাধিকার দেওয়া হবে ।
পরবর্তীতে  মিশন বাংলাদেশের আরও দুর্গম এলাকার  দুষ্প্রাপ্য আদি বাঙ্গালি  ইতিহাসের  আরও  প্রমান সহ অনুসন্ধান দেবে ।

প্রথম পর্যায়ের  অনুসন্ধানে যে সমস্ত বিষয় গুলো অগ্রাধিকার পাবে –
১-  চন্দ্রদ্বীপের উপত্তি ও সুপ্রাচীন ইতিহাসের প্রমান
২- ভূগোল তথ্যের সাথে  ইতিহাসিক কিংবাদন্তির  তুলনার প্রমান
৩- চন্দ্রদ্বীপের রাজবংশগণ ও তাদের কীর্তি সমূহের প্রমান
৪-চন্দ্রদ্বীপের রাজবংশগণ ও তাদের সেনা, দুর্গ ও যুদ্ধ অস্ত্রের প্রমান
৫-সেই সময়ের শিল্প – বাণিজ্য – ধনরত্ন ও তার প্রমান
৬-দুরগা সাগরের ইতিহাস ও তার প্রমান
৭- ভগবান শাম্যারাইল শিবের ইতিহাস ও তার প্রমান
৮-মানসী মনসা দেবির ইতিহাস ও তার  প্রমান
৯- দেবী কাত্যয়নি সম্পর্কিত ইতিহাস ও তার প্রমান
১০- দক্ষিণ চক্র ঠাকুর ও ভগবান মদনগোপাল সম্পর্কিত ইতিহাস ও তার প্রমান
১১- এই অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধে  নমশূদ্র  হিন্দু যুবকদের দ্বারা  কতৃক  উচ্চবর্ণ  হিন্দু  ও মুসলমান বাঙালি রমণীদের  সন্মান রক্ষা ও আত্মবলিদান  ( পাকিস্তানি নরখাদক বাহিনীর হাত থেকে ) ও তার প্রমান । (মুক্তিযুদ্ধের  ইতিহাসে এই ঘটনা  ব্রাত্য  কেন ? )
1২- দুর্গম ও খুব কম আলোকপ্রাপ্ত এলাকাগুলিতে আজও বর্তমান  নমশূদ্র  হিন্দু প্রভাব ও প্রতিপত্তি ও ধন-সম্পদের প্রমান ।
১৩- মা সাদা কালির রহস্য ও প্রমান 
১৪- কীর্তনখোলা নদীতে রহস্য জনক কামান – শব্দ ও তার গবেষণা ও তার পিছনের কিনবাদন্তির ইতিহাস ও তার প্রমান  ( ডিসকভারী চ্যানেল বিখ্যাত)।

১৬- বৌ-ঠাকুরানীর দীঘি ও চাঁদসী গ্রামের জমিদার বংশগুলির রহস্যময় ইতিহাস ও তার প্রমান ।
১৫- বিখ্যাত   চাঁদসী     চিকিসা পধ্যতি (  শতাব্দী প্রাচীন   গৌরনদীর  চাঁদসী    গ্রামের  পদ্ম বিশ্বাস আবিষ্কৃত ও  কুষ্টিয়ার  বিশ্বস্বর পোদ্দার দ্বারা  প্রচারিত )    তার মাধ্যমে যে কোন দুরারোগ্য রোগ- ব্যাধি নিরাময়ের  সাক্ষ্য ও প্রমান । ( আদিম  চন্দ্রদ্বীপের  চিকিসকগণ  দ্বারা  এই বিশ্ববিখ্যাত চিকিসা প্রণালি আবিষ্কৃত , যা আজ অনেকটাই ধামাচাপা ও রহস্যময় )।
১৬- চন্দ্রদ্বীপের অবশিষ্ট অল্প সংখ্যক  হিন্দু  হিন্দু মন্দিরগুলির  ঐতিঝ্য ও ইতিহাস রক্ষায়  ওই এলাকার  কিছু  মুসলমান জনগনের  প্রচেষ্টা ও তাদের ইতিহাস উদ্ধারের আবেদন 
১৭- রহস্যময়ী সন্ধ্যা নদির ইতিহাস ও নৌকা- প্রতিযোগিতা ও তার পিছনের ইতিহাস।
১৮- চন্দ্রদ্বীপের ও আশেপাশের অঞ্চলে (বর্তমান বরিশাল ) নমশূদ্র হিন্দু জাতির পুনঃ আর্থিক  উত্থানের প্রমান ও কারন ।
১৯- দেবী রাজ মাতা মা রাজলক্ষ্মীর ভুবনমোহিনী মূর্তি  জলাশয় থেকে উদ্ধারের প্রচেষ্টা  ( কল্পিত ও বহু কথিত যে  এই মূর্তি উদ্ধারে বঙ্গ সহ ভারত  আজ বিশ্বে  সর্বশ্রেষ্ঠ  ধনী সম্পদায়  হিসাবে পরিচিত হতো )। মায়ের কৃপায় সেই জলাশয় ইতিমধ্যেই  আবিষ্কার করে ফেলেছেন এলাকার  কিছু  মানুষ ।




প্রস্তাবিত রূপরেখা –
বিভিন্ন পর্যায় এই প্রকল্প রুপায়ন করার প্রচেষ্টা করতে হবে-
১- বিভিন্ন বই থেকে তথ্য সংগ্রহ ।
২-এলাকার ধর্ম বর্ণ  নির্বিশেষে  মানুষের  সহযোগিতা নেয়া হবে । ওই বয়স্ক লোক ও পুরনো বংশগুলোর ও ওই এলাকার  ইতিহাস চর্চারত দেশবিদেশের  বিভিন্ন মানুষকে প্রমাণগুলো সম্পকে অবহিত করা ও তাদের সাথে কথাবার্তা ও ইনটারভিউ করা।
৩-সহজলভ্য প্রমান গুলি কে অতিদ্রুত  ক্যামেরা বন্ধি 
৪-ইতিমধ্যে পাওয়া ঐতিহাসিক  অস্তিত্বের প্রমানগুলো  সেখানেই  সংরক্ষিত  করার বিষয় আবেদন ।
৫- ওই এলাকা ভ্রমন করে আরও প্রমান সংগ্রহ ।

পরিকাঠামো –  এই মিশনের সাহায্যকারী  বাক্তি বা সংস্থাকেই মিশনের   পরিকাঠামো তৈরির দায়িত্ব  দেওয়া  হবে । তারাই মিশনের কাজে কর্মী নিয়োগ করবেন  ও বিভিন্ন ভাবে আদেশ ও উপদেশ  দিতে পারবেন ।

পরিকল্পনার সময়সীমা- প্রাথমিক ভাবে এই মিশনের ১ ম পর্যায়ের  সময়-সীমা  ২- বছর লাগতে পারে , এর  মধ্যে কমপক্ষে ৬ মাস এলাকায় থেকে গবেষণা- কাজ করা যেতে পারে । অতি দ্রুত এই মিশন শুরু না হলে ক্রমে আরও ইতিহাস লুপ্ত হয়ে যেতে পারে ।



উদ্যোগ-  বাক্তিগত উদ্যোগে  আমি এই গবেষণার সাথে বহু কাল যুক্ত ও  ৭-৮ মাস পূর্বে  বাংলাদেশে  ভ্রমণকালে প্রচুর অজানা ও অনাবিষ্কৃত ধামাচাপা পরা  ইতিহাসের সন্ধান পেয়েছি । তবে বাক্তিগত বা একক প্রচেষ্টায়  একটি  বিশাল  দুর্গম এলাকার  ২০০০-৩০০০ বছরের ইতিহাস বের করা খুব কঠিন বলেই মনে করি , সেই উদ্দেশে  আজ এই  প্রোজেক্ট তৈরির  উদ্যোগ  নিয়েছি ।
নজরদারি – মিশন শুরুর ১ মাসের মধ্যেই এই মিশনের  কাজকর্ম ও সফলটার ওপর নজরদারির জন্যে  কমিটি  গঠন করা হবে । এই মিশনের  সাহায্যকারী  বাক্তি বা সংস্থাকেই নজরদারির দায়িত্ব  দেওয়া  হবে ।

সম্ভাব্য  ফলাফল -  প্রথম পর্যায়ের ২ বছরের  মিশন  ধর্ম- বর্ণ  নির্বিশেষে   বাঙালির   মধ্যে  ব্যাপক  সারা ফেলবে বলে মনে করি । বেশ কিছু মানুষ আরও বাঙালি ও  তাদের  ইতিহাস নিয়ে  সাহিত হবেন ।  বাঙালি  ও বিশেষ করে নিম্নবর্ণ  বাঙালি  উপহার পাবে  তাদের গৌরবান্বিত  ইতিহাস ।
এছারাও  বাংলাদেশের  বরিশাল ( বাকলা-চন্দ্রদ্বীপ )  বাঙালি ও  সারা দুনিয়ার  হিন্দুদের  জন্যে  একটি  ঐতিহাসিক ও প্রাকিতিক  দুর্গম  ভ্রমনস্তল হিসাবে পরিচিত হবে ।
যার মাধ্যমে ওই এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নও  হতে পারে ।
নতুন করে  হিন্দু মন্দিরগুলো ও  ঐতিহাসিকস্থল গুলো পরিচিতি  পাবে ।

মুখবন্ধ- এই প্রোজেক্ট কোন রাজা বা শাসক বা কোন ধর্ম বা বর্ণ বা তাদের ইতিহাসের তুলনায় প্রাগৈতিহাসিক ওই  অঞ্চলের  সাধারণ মানুষ ও তাদের মহান  ইতিহাস কে প্রাধান্য দেবে । এই  ইতিহাসের  পুনঃ উদ্ধারের জন্নে সকল  বাঙ্গালীর   সাহায্য কামনা করি


সুজয় কুণ্ডু
কোলকাতা
ফোণ- ৯২৩১৯৪২৬০১

 
THIS PROJECT'S WRITEUP COPYRIGHTED TO BISAS
 (Bangiya Itihas o Sanskriti Anusandhan Samiti) AND SUJAY KUNDU